AsiaCalling

Home সংবাদ শ্রীলংকা শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন সেনাপ্রধান ফনসেকাকে আরও এক দফা কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন সেনাপ্রধান ফনসেকাকে আরও এক দফা কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

ইমেইল প্রিন্ট পিডিএফ

Download পাকিস্তানের হিন্দুরা মৃতদেহ না পুড়িয়ে কবর দিতে বাধ্য হচ্ছেন কারণ খুব কম জায়গাতেই তাদের সে সুযোগ আছে।

পাকিস্তানের প্রায় পাঁচ ভাগ লোক হিন্দু। মুসলিমরা সংখ্যাগুরু।

তাদের আরেকটি সমস্যা হল তারা আইনগতভাবে বিয়ে করতে পারেন না।

পেশোয়ারে সাহাব রহমান এবং ইসলামাবাদে ইয়াসির খান দেখতে চেয়েছেন এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের কি কি সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়।

আজ রায় ঘোষণার দিন। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সর্বত্র প্রহরীরা অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত।

সারাথ ফনসেকার আগমনের জন্যে কয়েকশো’ লোক অপেক্ষা করছেন।

তারা ‘ফনসেকার মুক্তি চাই’ বলে শ্লোগান দিচ্ছেন।

তাদের একজন পেইরিস সুমানালাথা।

“তিনি জাতির সেবা করেছেন। তাই আমরা তার মুক্তি চাই।”

বেশিরভাগ শ্রীলঙ্কান তাকে বীর মনে করেন। কারণ তিনি ৩০ বছরব্যাপী এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের অবসানে সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

কিন্তু উচ্চ আদালতের বিচারকরা অন্যভাবে চিন্তা করছিলেন।

সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনার পর তাকে ‘অসন্তোষ ছড়ানো’র অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ফনসেকা আদালতে এই বলে এই রায় প্রত্যাখ্যান করেন যে এটা শুধু তাকে রাজনীতির বাইরে রাখার জন্যে।

তার স্ত্রী আনমা ফনসেকা বলেন তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

“আমরা এটা মানতে চাইনা। কারণ আমি আমার স্বামীকে এবং সে দেশের জন্যে কি করেছে তা জানি। সে সোজাসাপটা লোক। কাজেই সে কোন অপরাধ করেনি।”

মামলাটি হয় একটি স্থানীয় সংবাদপত্রে ফনসেকার দেওয়া একটি সাক্ষাৎকার নিয়ে।

সাক্ষাৎকারে বলা হয় তামিল তাইগার যোদ্ধারা যখন সাদা পতাকা উঁচিয়ে আত্মসমর্পণ করতে আসছিল তখন নিরাপত্তা সচিব গতাবায়া রাজাপক্ষে তার সৈন্যদের গুলি চালানোর নির্দেশ দেন।

সারাথ ফনসেকা বলেন পত্রিকায় তাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

তাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মত নয়।

জাতীয় শান্তি কাউন্সিলের প্রধান ডঃ জেহান পেরেরা বলেন তিন বিচারকের একজনের ভিন্নমত ছিল।

“আদালতের রায়ও বিভক্ত ছিল কারণ একজন বিচারক বলেছিলেন তিনি জেনারেল ফনসেকাকে সকল দায় থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। কাজেই আমার বিশ্বাস রায় নিয়ে বেশিরভাগ মানুষ খুশি না। আর তারা বিশ্বাস করেন অন্যরকমভাবে বিচার হলে জেনারেল ফনসেকা বেঁচে যেতে পারেন।”

রায়ের পরপরই একজন বিচারক মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন।

রায় ঘোষিত হলে বাইরের জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে।

 

তারা ‘এটা অবিচার’ বলে চিৎকার করছিলেন।

রাঞ্জিথ পিয়াদাসা বিক্ষোভকারীদের একজন।

“আমাদের রাষ্ট্রপতি যদি জনগণের সত্যিকারের নেতা হয়ে থাকেন তবে তার অবিলম্বে সারাথ ফনসেকাকে মুক্তি দেওয়া উচিৎ। প্রতিবেদক একজন মিথ্যাবাদী ও সে মিথ্যা বলছে। ওই প্রতিবেদককে কারাগারে ভরা উচিৎ।”

পাশে দাঁড়ানো পেইরিস সুমানালাথা বলেন এটা আমাদের দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্যে খারাপ লক্ষণ।

“আমাদের দেশে গণতন্ত্র বা সুশাসন নেই। বিচারব্যবস্থা তার স্বাধীনতা হারিয়েছে। এই আমলে আমরা এটা অনেক দেখছি। আমার মনে হয়না বিচারব্যবস্থা আর তার স্বাধীনতা ফিরে পাবে।”

প্রবীণ শান্তি কর্মী জেহান পেরেরা শ্রীলঙ্কার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

“এটা কোন ভালো ব্যাপার নয় কারণ যেকোনো সমাজে শক্তির বিভাজন দরকার হয়। আমাদের ক্ষমতার ভারসাম্য দরকার। আমাদের জনগণের প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতায় ভরসা লাগবে। জনতার সেই ভরসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন যেকোনো কিছুই সুশাসন ও সামাজিক শৃঙ্খলার জন্যে খারাপ।”

সর্বশেষ আপডেট ( সোমবার, 28 নভেম্বর 2011 10:00 )  

Add comment


Security code
Refresh

Search